হাতটি তোমার ধরতে মানা……….।

বৃষ্টি ঝরছে অঝোরধারায়। টিনের চালে তার রিমঝিম শব্দে অদ্ভুত বিষন্নতা এসে ভর করে। আকাশে মেঘ করলে আমার বন্ধুটি খুব ভয় পায়। আমার তখন ইচ্ছে হয়, ওর হাত জড়িয়ে রাখি আমার হাতে। কিন্তু……..। আমি বৃষ্টিতে ভিজি। বৃষ্টিতে ডিজতে আমার খুব ভালো লাগে। আকাশের গাঁয়ে হয়ত অনেক দুঃখ। নাহয় এমন অবিশ্রান্ত বর্ষনে.

ভালো থাকতে হবে যে!

”বন্ধু এসো স্বপ্ন আঁকি চারটা দেয়াল জুড়ে বন্ধু এসো আকাশ দেখি পুরোটা চোখ খুলে বন্ধু এসো জলে ভাসি দুখ ভাসানো সুখ” বন্ধু, তুমি খুব করে চাও, যেন আমি ভালো থাকি। কিন্তু বুঝতে পার কি আমার হৃদয়ের না বলা শত কথার অবিশ্রান্ত হাহাকার। তুমি জানো কি, আমার প্রতিটি মুহুর্ত কাটে তোমার.

মৃত্যু-পিপাসা এবং কেউ একজন……….।

পৃথিবীটা অনেক সুন্দর! বেঁচে থাকার বড় ইচ্ছে হয়। কিন্তু, যে স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে, নতুন করে সামনে এগোবার প্রেরনা যোগায়, সেই স্বপ্ন এখন আর দেখা হয়না। হারিয়ে গেছে স্বপ্নের সব রং। প্রচন্ড ক্লান্তিতে বয়ে বেড়াই নিজেকে। কিন্তু এভাবে আর পারছি না। বন্ধু, তুমি কি আমায় একটু ভালোবাসবে?

স্বপ্নে কাটি মনে আঁচড়………..

পথ হাঁটছি ক্লান্ত পায়ে। হৃদয়ের কোন গহীন থেকে ভেসে আসে পাজর ভাঙার শব্দ। কেউ শুনেছ কোনদিন সেই অসহ্য সুরের এলোমেলো তান। আর পেরে উঠছি না। ভেসে যাচ্ছি জীবনের কোলাহল থেকে দূরের কোন পৃথিবীতে। দেখছি আমার স্বপ্নগুলোর মোমের মত গলে যাওয়া। আকাঙ্খিত মৃত্যুর শীতল ছোঁয়ায় আমার সব কষ্টের অবসান ঘটবে। আমি.

স্বপ্ন-পূরন এক্সপ্রেস….।

পথ হারানোর আনন্দতেই আমি বিভোর হয়ে থাকি! অথচ কখনোই ইচ্ছে হয়না পথ হারাই। ভাবি হয়ত পথ হারালেই ভালো থাকতে পারব। স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা সহ্য করতে হবে না। হারিয়ে যেতে হবে দূর অজানায়। প্রিয় মানুষদের থেকে দূরে বহু দূরে। আমার ব্ন্ধুটার খুব দুঃখ। তার পৃথিবীটা অনেক ছোট। নিজেকে এতটা আড়াল করতে.

কষ্টনীল প্রতিটি মুহুর্ত……….

নিঝুম প্রকৃতি। রাতের মধ্যপ্রহর। গভীর ঘুমে মগ্ন আমাদের কর্মব্যস্ত পৃথিবী। চারদিকে সুনসান নীরবতা। দূরের আকাশে ঝুলে আছে বিষন্নতায় কোমল আলো ছড়ানো একাকী একটি চাঁদ। মৃদুমন্দ বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়া শান্তির পরশ বুলিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। খুবই অদ্ভূত সুন্দর একটি মুহুর্ত। জনাকীর্ন এই শহরের অসংখ্য নাগরিক ডুবে আছে সুখ-স্বপ্নে। কোন বারান্দায় হয়তো.