৫ টি মানবিক গল্প

যান্ত্রিক সময়ের ৫ টি মানবিক গল্প ও আমাদের রোবট না হওয়ার প্রমাণ

চারপাশের অসংখ্য দুঃসংবাদ আপনাকে হতাশ করে দিচ্ছে? প্রতিদিনই হয়তো ভাবেন, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু, আসলে কি তেমন হচ্ছে? এই কঠিন সময়েও এমন অনেককিছুই ঘটে, যে কাহিনীগুলো আমাদের আশা বাঁচিয়ে রাখে। আজকে এমন কিছু গল্প নিয়েই লিখছি। ফরিদপুরের সেই সামাদ চাচার কথাতো আপনি জানেনই, যিনি ৪৮ বছর ধরে প্রতিদিন.

Houska castle

নরকের প্রবেশদ্বার হৌসকা প্রাসাদের রোমহর্ষক কিংবদন্তি

মনে করুন, আপনি চেক রিপাবলিকে বেড়াতে গিয়ে উঠলেন এক দারুন প্রাসাদে। শহর থেকে একটু দূরের পাহাড়ে জমকালো প্রাচীন প্রাসাদ। বিকেলের সোনালী আলোয় চমৎকার চারপাশ দেখতে বেশ লাগছিলো। রাতে কেয়ারটেকার ডিনারের আয়োজন শেষে চলে গেলো আপনাকে রেখে। গা ছমছম বিশাল প্রাসাদের কিংসাইজ বেডে শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করছেন আপনি। দারুন রোমাঞ্চকর পরিবেশ।.

যে মানুষটি কখনো আমাদের ছিলো না

রোদ ইদানিং গণগনে আঁচ নিয়ে নেমে আসে। নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের অধিবাসীর টাইটেল এখন আর আমাদের জন্য নয়। পিচঢালা রাস্তার বিটুমিন গলা থিকথিকে রিফ্লেকশন গরমের তীব্রতা বাড়াচ্ছে বেশ আয়োজন করে। এমন এক দুপুর সেদিন শেষের পথে। রোদে জ্বলা দুপুর গড়াচ্ছে বিকালের গাঁয়ে। রাজপথ ধরে ছুটছে পাবলিক বাস। সেকান্দার মিয়া তার পাশের সিটের.

আগুনের দিনগুলোতে আমার ফায়ারম্যান বাবা ও আমাদের নিজস্ব গল্প

এইগুলা আগুনের জুতা বাবা! তোমার আব্বুতো আগুন নিভায়। সেইকারণে আগুনের মধ্যে দিয়ে আব্বুকে হাঁটতে হয়। এই বড় বড় জুতা পড়লে আগুন আর ধরতে পারে না। শৈশবে আমাদের বাসায় বাবার লম্বা সাইজের গামবুট দেখে মায়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম,  জুতাগুলো এতো বড়ো কেনো। মা তখন আমাকে জানিয়েছিলেন, এই জুতা পড়লে আর আগুন.

protidwondi

সুনীলের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ও সত্যজিতের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ; অভিযোজনের তুলনামূলক বিশ্লেষণ

সুনীলের রচনায় সত্যজিতের নির্মাণ, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ দুই ক্ষণজন্মা মানুষকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে একসারিতে। পূর্বের আলোচনায় আমরা উপন্যাস এবং চলচ্চিত্রের অভিযোজন, তুলনামূলক নানান বিষয় তুলে ধরেছি। এবারে একটু ভিন্নভাবে কিছু বিষয় আলোকপাত করছি। সত্যজিৎ রায়ের নির্মাণ কুশলতা কিংবা চিত্রায়ণ ও সৃষ্টিশীলতা নিয়ে কোন সংকোচ কিংবা দ্বিধার অবকাশ নেই। অপরদিকে সুনীলের গ্রহণযোগ্যতা কিংবা.

নাটিকা: শান্তি ও যুদ্ধের মধ্যে কথোপকথন

চরিত্র সমুহঃ  শান্তি, যুদ্ধ, দর্শক [একজন শান্তির চরিত্রে অভিনয় করবে। আরেকজনকে দেখা যাবে যুদ্ধের চরিত্রে। মঞ্চের পেছন থেকে প্রথমে নেপথ্য শব্দআবহ ভেসে আসবে। সম্ভব হলে আলো-আধারির পরিবেশ তৈরী করা হবে। দুটি চরিত্র মঞ্চের দুইপাশে নিজেদের দরকার অনুসারে স্থান পাল্টে সংলাপ চালিয়ে যাবে। কিছুটা নাটকীয় ঢং ও আওয়াজে কথা হবে। ].