কিংবদন্তিতে মহাপরাক্রমশালী সূর্য ; সৌর দেবতা থেকে উড়ন্ত রথের গল্প

শত সহস্র বছর আগে থেকেই মানুষ সূর্যকে জীবনের উৎস হিসেবে মেনে নিয়েছিলো। বিজ্ঞান যতোদিনে আবিষ্কার করে যে, সূর্যের চারপাশে সবকিছু প্রদক্ষিণ করে, তারও বহুকাল পূর্বেই আদিম মানুষেরা সূর্যকে শক্তির আধার হিসেবে গ্রহণ করেছিলো। প্রাচীন ইতিহাসে সূর্য যেমন শক্তি ও প্রাণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো, তেমনই সূর্যকে মনে করা হতো স্রষ্টা কিংবা দেবতা।.

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

অনেকদিন আগের কথা। জাপানের ওমি জেলার ফুনাকামি মুরা গ্রামে কানশিরো নামের একজন কৃষক বাস করতেন। তিনি তার এলাকাতে সততা, দানশীলতা ও ধর্মভীরুতার জন্য সবার মাঝে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় নান কিংবা পাদ্রীদের মধ্যেও তার মতো উত্তম চরিত্রের কেউ ছিলো না। কানশিরো ছিলেন বৃদ্ধ এবং অসুস্থ। তারপরও তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবছর.

নেটিভ ইন্ডিয়ান চীফের চিঠি

সাদা মানুষের কাছে লেখা নেটিভ ইন্ডিয়ান চীফের চিঠি

চীফ সিয়াটল (সঠিক উচ্চারণে বলা যায় সেয়াথল) ছিলেন সুকুয়ামিশ বা সাসকুয়ামিশ ইন্ডিয়ানদের চীফ। সুকুয়াইমিশ ইন্ডিয়ান নৃগোষ্ঠির বসবাস ছিলো ওয়াশিংটনের দূরবর্তী উপকূল পুগেড সাউন্ডের একটি দ্বীপে। পোর্ট ম্যাডিসনের ইন্ডিয়ান রিজার্ভেশনে তাদের অবস্থান ছিলো নিজস্বভূমি থেকে উৎখাতের পর। যুবক যোদ্ধা হিসেবে চীফ সিয়াটল বিখ্যাত ছিলেন তার সাহসিকতা, দুর্ধর্ষ বৈশিষ্ট্য ও নেতৃত্বের গুণাবলীর.

ঘুমন্ত মানুষের মুখ কখনো গল্প বলতে জানে?

মানুষের চোখ নাকি তার মনের কথা বলে! ছোটবেলা থেকেই আমরা এই লাইনটা শুনেছি নানা সময় আর পরিস্থিতিতে। কখনো শুনেছি ৯০ এর দশকের বিখ্যাত গানের লাইনে। চোখ যে মনের কথা বলে।  চোখ মনের কথা বললেও ঘুমন্ত মানুষের মুখও যে মানুষের মনের কথা বলতে পারে, এই কথাটি হয়তো আমিই প্রথম বলছি! ঘুমন্ত.

কলম্বিয়ান কোকেইন রানী গ্রিসেলডা ব্লাংকো

১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি। কলম্বিয়ার কার্টেজেনার এক ছোট্ট ঝুপড়ি ঘরে জন্ম নেয় একজন অতি সাধারণ শিশু। কারগোডেড টিন আর কার্টনের বাক্স দিয়ে ঘেরা সেই ঘরে দারিদ্যের আশীর্বাদ ছিলো সীমাহীন। বাবা মা তার নাম রাখেন গ্রেসিল্ডা ব্লাংকো রেসত্রেপো। ব্লাংকোর মা ছিলো একজন রাগচটা ও ভয়ংকর মেজাজের মহিলা। সমাজের নিম্ন আয়ের দুঃসহ পরিবারে.

পোস্টার বালিকা কেমবা স্মিথ

পোস্টার বালিকা কেমবা স্মিথ; ভালোবাসার জন্য ত্যাগ নাকি অর্থের জন্য লোভ

কোন কাহিনীগুলো আপনাকে আকর্ষণ করে বলুন তো? জেমস বন্ডের সিরিজ কিংবা টম ক্রুজের মিশন ইমপসিবল দেখে উত্তেজনা আর উৎকন্ঠা অনুভব করেন নি, একথা কি বলতে পারবেন? যদি বলেন, না, আপনি কোন আকর্ষণ খুঁজে পান নি। তাহলে নিশ্চয়ই ভায়োলেন্ট কিংবা সহিংস কোন মুভি আপনার ভালো লাগার তালিকায় থাকতে বাধ্য। আপনাকে  মেনে.