আইপিএ’র সাথে মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসানের ফটোগ্রাফি বিষয়ক আলাপ

মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান। বাংলাদেশী ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার, ফটো সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট। জলবায়ু পরিবর্তন, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কট নিয়ে কাজ করেছেন। কেবল ভালো ছবি তোলার লক্ষ্যে পথ চলেন না। কাজের মাধ্যমে তিনি সামাজিক পরিমন্ডলে খানিকটা শান্তি আনার চেষ্টায় মগ্ন থাকেন।  চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন হাসান। কিন্তু,.

যখন মিউজিক ও ফটোগ্রাফি সাংঘর্ষিক হয়ে উঠে ; ম্যাগনাম ফটোগ্রাফার ল্যারি টওয়েলের সাক্ষাৎকার

ল্যারি টওয়েল। ১৯৫৩ সালে কানাডার অন্টারিওতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিজনেস কার্ডে লেখা ডেজিগনেশন হিসেবে তিনি একজন ‘হিউম্যান বিয়িং – ‘মানুষ’। ছোটবেলা থেকে নিজের মতো করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এই কবি ও ফোক মিউজিশিয়ান। বাবা ছিলেন গাড়ির মেকানিক। অন্টারিওর গ্রামীন অঞ্চলের একটি একান্নবর্তী পরিবারে বেড়ে উঠেছেন ল্যারি। টরেন্টোর ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার.

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

অনেকদিন আগের কথা। জাপানের ওমি জেলার ফুনাকামি মুরা গ্রামে কানশিরো নামের একজন কৃষক বাস করতেন। তিনি তার এলাকাতে সততা, দানশীলতা ও ধর্মভীরুতার জন্য সবার মাঝে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় নান কিংবা পাদ্রীদের মধ্যেও তার মতো উত্তম চরিত্রের কেউ ছিলো না। কানশিরো ছিলেন বৃদ্ধ এবং অসুস্থ। তারপরও তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবছর.

নেটিভ ইন্ডিয়ান চীফের চিঠি

সাদা মানুষের কাছে লেখা নেটিভ ইন্ডিয়ান চীফের চিঠি

চীফ সিয়াটল (সঠিক উচ্চারণে বলা যায় সেয়াথল) ছিলেন সুকুয়ামিশ বা সাসকুয়ামিশ ইন্ডিয়ানদের চীফ। সুকুয়াইমিশ ইন্ডিয়ান নৃগোষ্ঠির বসবাস ছিলো ওয়াশিংটনের দূরবর্তী উপকূল পুগেড সাউন্ডের একটি দ্বীপে। পোর্ট ম্যাডিসনের ইন্ডিয়ান রিজার্ভেশনে তাদের অবস্থান ছিলো নিজস্বভূমি থেকে উৎখাতের পর। যুবক যোদ্ধা হিসেবে চীফ সিয়াটল বিখ্যাত ছিলেন তার সাহসিকতা, দুর্ধর্ষ বৈশিষ্ট্য ও নেতৃত্বের গুণাবলীর.

স্ট্রিট ফটোগ্রাফির অন্দরমহলে আপনাকে নিয়ে যাবেন আলোকচিত্রী মোঃ এনামুল কবির

মোঃ এনামুল কবির। ১২১ ক্লিকসের সাথে বিস্তারিত আলাপ করেছেন স্ট্রিট ফটোগ্রাফির বিভিন্ন রকমের সুক্ষ ও গভীর বিষয় নিয়ে। কথা বলেছেন নিজের আলোকচিত্রের ভিন্ন ধরণ ও যে বিষয়গুলো তার ফটোগ্রাফিকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে, সেসব নিয়ে। অনেকের মতো কীভাবে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি তার কাছে বিশেষ ভালোবাসার একটি জায়গা হয়ে উঠলো, সেটা নিয়েও খোলাখুলি.

বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার আবু রাসেল রনির সাথে আলাপ

আবু রাসেল রনি। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় জন্ম। চাকরী করেন একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে। ফটোগ্রাফি নিয়ে ভীষণ আগ্রহী ও একাগ্রচিত্তের এই আলোকচিত্রী ২০১০ সাল থেকে ছবি তুলছেন। বাংলাদেশি অনেক ফটোগ্রাফার তার অনুপ্রেরণার উৎস। আমি পথে-ঘাটে ছবি তুলতে ভালোবাসি। ইচ্ছেমতো হেঁটে বেড়াতে এবং চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য মুহুর্তগুলো ক্যামেরায় তুলে রাখা আমার কাছে.