যখন মিউজিক ও ফটোগ্রাফি সাংঘর্ষিক হয়ে উঠে ; ম্যাগনাম ফটোগ্রাফার ল্যারি টওয়েলের সাক্ষাৎকার

ল্যারি টওয়েল। ১৯৫৩ সালে কানাডার অন্টারিওতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিজনেস কার্ডে লেখা ডেজিগনেশন হিসেবে তিনি একজন ‘হিউম্যান বিয়িং – ‘মানুষ’। ছোটবেলা থেকে নিজের মতো করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এই কবি ও ফোক মিউজিশিয়ান। বাবা ছিলেন গাড়ির মেকানিক। অন্টারিওর গ্রামীন অঞ্চলের একটি একান্নবর্তী পরিবারে বেড়ে উঠেছেন ল্যারি। টরেন্টোর ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার.

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

অনেকদিন আগের কথা। জাপানের ওমি জেলার ফুনাকামি মুরা গ্রামে কানশিরো নামের একজন কৃষক বাস করতেন। তিনি তার এলাকাতে সততা, দানশীলতা ও ধর্মভীরুতার জন্য সবার মাঝে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় নান কিংবা পাদ্রীদের মধ্যেও তার মতো উত্তম চরিত্রের কেউ ছিলো না। কানশিরো ছিলেন বৃদ্ধ এবং অসুস্থ। তারপরও তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবছর.

নেটিভ ইন্ডিয়ান চীফের চিঠি

সাদা মানুষের কাছে লেখা নেটিভ ইন্ডিয়ান চীফের চিঠি

চীফ সিয়াটল (সঠিক উচ্চারণে বলা যায় সেয়াথল) ছিলেন সুকুয়ামিশ বা সাসকুয়ামিশ ইন্ডিয়ানদের চীফ। সুকুয়াইমিশ ইন্ডিয়ান নৃগোষ্ঠির বসবাস ছিলো ওয়াশিংটনের দূরবর্তী উপকূল পুগেড সাউন্ডের একটি দ্বীপে। পোর্ট ম্যাডিসনের ইন্ডিয়ান রিজার্ভেশনে তাদের অবস্থান ছিলো নিজস্বভূমি থেকে উৎখাতের পর। যুবক যোদ্ধা হিসেবে চীফ সিয়াটল বিখ্যাত ছিলেন তার সাহসিকতা, দুর্ধর্ষ বৈশিষ্ট্য ও নেতৃত্বের গুণাবলীর.

স্ট্রিট ফটোগ্রাফির অন্দরমহলে আপনাকে নিয়ে যাবেন আলোকচিত্রী মোঃ এনামুল কবির

মোঃ এনামুল কবির। ১২১ ক্লিকসের সাথে বিস্তারিত আলাপ করেছেন স্ট্রিট ফটোগ্রাফির বিভিন্ন রকমের সুক্ষ ও গভীর বিষয় নিয়ে। কথা বলেছেন নিজের আলোকচিত্রের ভিন্ন ধরণ ও যে বিষয়গুলো তার ফটোগ্রাফিকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে, সেসব নিয়ে। অনেকের মতো কীভাবে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি তার কাছে বিশেষ ভালোবাসার একটি জায়গা হয়ে উঠলো, সেটা নিয়েও খোলাখুলি.

বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার আবু রাসেল রনির সাথে আলাপ

আবু রাসেল রনি। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় জন্ম। চাকরী করেন একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে। ফটোগ্রাফি নিয়ে ভীষণ আগ্রহী ও একাগ্রচিত্তের এই আলোকচিত্রী ২০১০ সাল থেকে ছবি তুলছেন। বাংলাদেশি অনেক ফটোগ্রাফার তার অনুপ্রেরণার উৎস। আমি পথে-ঘাটে ছবি তুলতে ভালোবাসি। ইচ্ছেমতো হেঁটে বেড়াতে এবং চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য মুহুর্তগুলো ক্যামেরায় তুলে রাখা আমার কাছে.

Source_the_rivers_scams – PHOTO • P. SAINATH

অনুবাদ: খরাপীড়িত জনপদে পানির হাহাকার ও মহারাষ্ট্রে জলচুরির জালিয়াতি – পি সাইনাথ

মহারাষ্ট্রে পানি উন্নয়ন খাতে অর্থের বন্যা হওয়ার পরেও কেনো নদীগুলো ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে? কৃষ্ণা নদীর ভাটিতে পি সাইনাথের একটি ভ্রমণ বৃত্তান্ত তিনি সত্তরোর্ধ একজন স্ট্রবেরি চাষী। ওড়িষ্যা রাজ্যের পুরোনো মহাবালেশ্বরে নিজের ৩ একর জমিতে চাষাবাদ করেন। পানির প্রয়োজন মেটাতে পারিবারিক কূপ ছিলো নিজেদের। খরায় সেটি শুকিয়ে কুয়োর তলদেশ পাথরের মতো শক্ত.