আইপিএ’র সাথে মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসানের ফটোগ্রাফি বিষয়ক আলাপ

মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান। বাংলাদেশী ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার, ফটো সাংবাদিক, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট। জলবায়ু পরিবর্তন, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী সঙ্কট নিয়ে কাজ করেছেন। কেবল ভালো ছবি তোলার লক্ষ্যে পথ চলেন না। কাজের মাধ্যমে তিনি সামাজিক পরিমন্ডলে খানিকটা শান্তি আনার চেষ্টায় মগ্ন থাকেন।  চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন হাসান। কিন্তু,.

যখন মিউজিক ও ফটোগ্রাফি সাংঘর্ষিক হয়ে উঠে ; ম্যাগনাম ফটোগ্রাফার ল্যারি টওয়েলের সাক্ষাৎকার

ল্যারি টওয়েল। ১৯৫৩ সালে কানাডার অন্টারিওতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিজনেস কার্ডে লেখা ডেজিগনেশন হিসেবে তিনি একজন ‘হিউম্যান বিয়িং – ‘মানুষ’। ছোটবেলা থেকে নিজের মতো করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এই কবি ও ফোক মিউজিশিয়ান। বাবা ছিলেন গাড়ির মেকানিক। অন্টারিওর গ্রামীন অঞ্চলের একটি একান্নবর্তী পরিবারে বেড়ে উঠেছেন ল্যারি। টরেন্টোর ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার.

স্ট্রিট ফটোগ্রাফির অন্দরমহলে আপনাকে নিয়ে যাবেন আলোকচিত্রী মোঃ এনামুল কবির

মোঃ এনামুল কবির। ১২১ ক্লিকসের সাথে বিস্তারিত আলাপ করেছেন স্ট্রিট ফটোগ্রাফির বিভিন্ন রকমের সুক্ষ ও গভীর বিষয় নিয়ে। কথা বলেছেন নিজের আলোকচিত্রের ভিন্ন ধরণ ও যে বিষয়গুলো তার ফটোগ্রাফিকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে, সেসব নিয়ে। অনেকের মতো কীভাবে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি তার কাছে বিশেষ ভালোবাসার একটি জায়গা হয়ে উঠলো, সেটা নিয়েও খোলাখুলি.

বাংলাদেশি ফটোগ্রাফার আবু রাসেল রনির সাথে আলাপ

আবু রাসেল রনি। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায় জন্ম। চাকরী করেন একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে। ফটোগ্রাফি নিয়ে ভীষণ আগ্রহী ও একাগ্রচিত্তের এই আলোকচিত্রী ২০১০ সাল থেকে ছবি তুলছেন। বাংলাদেশি অনেক ফটোগ্রাফার তার অনুপ্রেরণার উৎস। আমি পথে-ঘাটে ছবি তুলতে ভালোবাসি। ইচ্ছেমতো হেঁটে বেড়াতে এবং চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য মুহুর্তগুলো ক্যামেরায় তুলে রাখা আমার কাছে.

© Photography by Malcolm Browne ~Burning Monk ~

সংবাদগল্পের ফটোগ্রাফে ক্যাপশন বিষয়ক আলাপ

একটি ছবি সহস্র শব্দের সমপর্যায়ের গুরুত্ব বহন করে। শব্দের সীমাবদ্ধতাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিপ্রায়ে ভিজ্যুয়াল আর্টের শুরুর সময় থেকেই মানুষ ছবির আশ্রয় নিয়েছে। আদিম গুহাচিত্রের যেসকল ছাঁপচিত্র আমরা দেখতে পাই, ভাষার অনুপস্থিতি থাকার পরও তখনকার অচেনা মানুষদের বার্তা আমাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। তারপর ধাপে ধাপে পেইন্টিং ফরম্যাটের বৈপ্লবিক সময় পার করে ফটোগ্রাফের.

দ্বিমাত্রিক ক্যানভাসে ত্রিমাত্রিক দৃশ্যকল্প কিংবা ইল্যুশন অব ডেপথ

ফটোগ্রাফ, পেইন্টিং, স্কেচ কিংবা ড্রইংয়ের কোন গভীরতা থাকে না! আসলেই কি তাই? সত্যিকার অর্থে ব্যপারটা সেরকমই। ভিজ্যুয়াল আর্টের এই মাধ্যমগুলো দ্বিমাত্রিক। দৈর্ঘ্য , প্রস্থ থাকলেও কোন তল নেই। ফটোগ্রাফি বলতে বুঝায়, একটি ত্রিমাত্রিক পৃথিবীর দ্বিমাত্রিক অনুলিপি কিংবা হুবহু কপি। আমাদের চোখ ও মস্তিস্কের ইমেজিং প্রক্রিয়ার বহুমাত্রিক সক্ষমতার কারণে আমরা কাঙিক্ষত.