একটি দলছুট শালিকের বিষণ্ন দিনরাত্রি

একটি দলছুট শালিকের বিষণ্ন দিনরাত্রি

তখন আমরা গ্রামের বাড়িতে থাকি। বৃষ্টি হচ্ছে কয়েকদিন ধরে একটানা। চারপাশে কাদামাটি মাখামাখি। আমাদের টিনের ঘরের মাটির মেঝে স্যাতস্যাতে হয়ে আছে। দুপুরের ভাত খেতে খেতে আমি দেখছিলাম উঠোনে বসে থাকা মনোযোগী একদল শালিকের দিকে। ছোট্ট ছোট্ট উড়ান দিয়ে তারা মাটি থেকে খুঁটে খাচ্ছিলো কিছু। সম্ভবত পোকা-মাকড়ই হবে। আমি মায়ের কাছে.

’স্মার্ট’ এই নগরীতে একজন ’আনস্মার্ট’ আমি ও আমার ‘খ্যাতমার্কা’ আউটফিটের ফুটনোট

’স্মার্ট’ এই নগরীতে একজন ’আনস্মার্ট’ আমি ও আমার ‘খ্যাতমার্কা’ আউটফিটের ফুটনোট

# অগোছালো কোকড়া চুলের ‘খ্যাতমার্কা’ এই ছেলেটা এইখানে কেমনে আসলো! # দেখ, কেমন পাগলের মতো দেখাচ্ছে ওরে! # এই ছেলে! ভাইবা বোর্ডে কেউ  এই গেটআপে আসে! স্মার্টনেসও তো একটা শেখার বিষয়! অন্যদের এই ধরণের কথা ও ভাবনার সাথে আমার পরিচয় অনেক দিনের। নিজের পোশাক-আশাক, সাজগোজ, ধরণ-ধারণ যথেষ্ট রকমের ‘আউলা’ টাইপের।.

শৈশবের পিঠাবন্ধু উপকারী এক চিলের কাহিনী

আকাশের সুদূর উচ্চতায় ডানা মেলে উড়ে বেড়ায় একটি সোনালী ডানার চিল। চিটাগাং আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের এক ছোট্ট শিশু, রনির সাথে একদিন তার বন্ধুত্বটা হয়েই গেলো! দিনে দিনে সেই সম্পর্ক গিয়ে দাঁড়ালো লেনদেনের ঘনিষ্টতায়। রনি চিলটিকে কী দিতো, সেটা জানা যায় নি। কিন্তু, চিলটি রনিকে দৈনিক ৪ টি করে ময়দায় বানানো.

নির্ণিমেষ দৃষ্টির একজন বৃদ্ধ ও বারান্দার গ্রীলে জমাট নীরবতা

হঠাৎ মারা গেলেন আমার পাশের বাসার এক বৃদ্ধ। পরিবারের সদস্যদের হাহাকার-কান্নায় জানা গেলো সে খবর। আমি যে এলাকায় থাকি, সেটা অনেকটা গ্রাম। শহরতলী বললেই বোধহয় শব্দটা লাগসই হয়। এখানের চারপাশ, বাজার-ঘাট, মানুষ, রাত-দিন সবকিছুই শহুরে তাড়াহুড়ো মুক্ত এবং কিছুটা বেশি অর্গানিক! তাই, কারো মৃত্যুতে এখানে ভদ্রতার বাইরে গিয়ে হাউমাউ কেঁদে.

ভালোবাসা শব্দের অনুবাদ কিংবা অন্তরার জন্য অগোছালো প্যারাগ্রাফ

ভালোবাসি শব্দের সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় গ্রামের বাড়িতে। আমরা তখন সদ্য চিটাগাং থেকে বাড়িতে শিফট হয়েছি। বাবার সরকারী চাকরীর সুবাদে এমন জায়গাবদল আমার জন্মের পর এ’নিয়ে তিনবার হলো। একদিন স্কুল থেকে ফিরতে শুনলাম সবাই বলাবলি করছে, পাশের পাড়ার  বারেক কাকার মেয়ে ‘স্মৃতি’ , এসিড দিয়ে শরীর পুড়িয়ে ফেলেছে। কিছু.

দূর পাহাড়ের পথে চলেছেন নিঃসঙ্গ অভিযাত্রী!

“লাল পাহাড়ের দেশে যা রাঙ্গামটির দেশে যা ইত্থাক তুকে মানাইছে না রে ইক্কেবারে মানাইছে না রে..” কেনো ট্রেকিংয়ে আগ্রহী, সেটা এককথায় কিংবা একটি ইমেইলের কয়েকটি লাইনে বুঝিয়ে বলা সম্ভব নয় আমার পক্ষে। শৈশবে চিটাগাং ফায়ার সার্ভিসের কোয়ার্টারে থাকতাম তখন। কোয়ার্টার বিল্ডিংয়ের পাশে সুউচ্চ একটি টিলা ছিলো। প্রতিদিন বিকেলে আমরা ক’জন.