আমাদের শহরে ইতস্তত টিকে থাকা এক পেঙ্গুইন

সাইবেরিয়া কিংবা এন্টার্কটিকার বরফ সব গলে গেলে পেঙ্গুইনরা কোথায় যাবে, এমন চিন্তা ছোটবেলায় আমার মাথায় প্রায়ই আসতো। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক কিংবা ন্যাটজিও চ্যানেলে প্রাণীজগতের নানা কাহিনী দেখার সুযোগে আমি তখন পেঙ্গুইনদের সম্পর্কে খানিকটা জানতাম। তারপর বহুবছর কেটে গেছে। একদিন হঠাৎ আমাদের ইউনিভার্সিটিতে এক পেঙ্গুইনের দেখা পেয়ে আমি অবাক! গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এখন.

মোয়ার সন্দেশ হাতে রহস্যময় শাজাহান কাকু ও তার হঠাৎ হারিয়ে যাওয়ার দিন

রান্নাঘরের শেলফে মুড়ির মোয়া দিয়ে বানানো চারকোনা আকৃতির বিশাল সাইজের সন্দেশের মতো কিছু একটা দেখে সেদিন আমি চমকে উঠেছিলাম। এর আগে কখনো এতো বড় মোয়া দেখার সুযোগ হয় নি আমার। মায়ের কাছে জানতে চাইলাম। মা বললেন, এটা নাকি মোয়ার সন্দেশ। আমি তখন অবাক হয়েছিলাম এটা ভেবে যে, মোয়ার আবার সন্দেশও.

যে মানুষটি কখনো আমাদের ছিলো না

রোদ ইদানিং গণগনে আঁচ নিয়ে নেমে আসে। নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের অধিবাসীর টাইটেল এখন আর আমাদের জন্য নয়। পিচঢালা রাস্তার বিটুমিন গলা থিকথিকে রিফ্লেকশন গরমের তীব্রতা বাড়াচ্ছে বেশ আয়োজন করে। এমন এক দুপুর সেদিন শেষের পথে। রোদে জ্বলা দুপুর গড়াচ্ছে বিকালের গাঁয়ে। রাজপথ ধরে ছুটছে পাবলিক বাস। সেকান্দার মিয়া তার পাশের সিটের.

আগুনের দিনগুলোতে আমার ফায়ারম্যান বাবা ও আমাদের নিজস্ব গল্প

এইগুলা আগুনের জুতা বাবা! তোমার আব্বুতো আগুন নিভায়। সেইকারণে আগুনের মধ্যে দিয়ে আব্বুকে হাঁটতে হয়। এই বড় বড় জুতা পড়লে আগুন আর ধরতে পারে না। শৈশবে আমাদের বাসায় বাবার লম্বা সাইজের গামবুট দেখে মায়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম,  জুতাগুলো এতো বড়ো কেনো। মা তখন আমাকে জানিয়েছিলেন, এই জুতা পড়লে আর আগুন.

অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কিংবা মায়োপিক বিষণ্নতার ইশতেহার

অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কিংবা মায়োপিক বিষণ্নতার ইশতেহার

আমি অন্ধকার দেখতে পাই! অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কেমন হয়, আমার সেটা জানা! অনেকক’টা বছর আগে- প্রথম যখন আমার রুমমেটকে কথাটি বলেছিলাম, ও ধরেই নিয়েছিলো, আমার মাথাটা বোধহয় গেছে। তারপর থেকে বহুজনকে বলেছি এই অদ্ভূত ক্ষমতার কথা। খুব ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সবাই নানাভাবে এড়িয়ে গিয়েছে। কেউ হয়তো বিশ্বাস করতে চেয়েছে। আবার কেউ.

শৈশবের শবে বরাতে গরম জিলাপির বিলাসিতা

শৈশবের শবে বরাত ও পকেটভর্তি গরম জিলাপির বিলাসিতা

শবে বরাত শব্দটির সাথে পরিচয় হয় শৈশবে। আমরা তখন চিটাগাংয়ের আবাস ছেড়ে গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জে চলে এসেছি। বাবার সরকারি চাকরীর বদলি হলো ঢাকাতে। গ্রামের পরিবেশ আমার কাছে মোটেও রোমান্টিক টাইপ মনে হয় নি। শহুরে আমি যেমন জীবনে অভ্যস্ত ছিলাম, গ্রামে জীবন তারচে অনেক আলাদা ছিলো। সবচে বেশি অবাক লাগতো, গ্রামে.