ব্যথা ভারাক্রান্ত ঘুঙুরের মতো রাতভর বেজে যাওয়া এক দুঃখবিলাস!

এখন বাহিরে রাত দূর হতে ভেসে আসে রাতজাগা বিহগের বিষন্ন আর্তরব। কেউ কোনোদিন জানবে না কিসের বিরহে তার নির্ঘুম রাত কাটে; দু’চোখের পাতায় অস্থির কাপন। জানো কি তুমি, কি হারানোর বেদনায় কতো গভীর দুঃখ যাতনায় পাথরেরও বুক ভাঙে! দেখেছো কি তুমি, পাহাড়ের কোল বেয়ে সে কান্নার ঝর্ণা হয়ে অবিশ্রান্ত বয়ে.

একবার মানুষ হয়ে উঠবার চেষ্টা করি..।

সাবরিনা আপুকে বলার মতো কোন শব্দ এখন আমার মনে পড়ছে না। হয়তো কখনো কখনো শব্দখরা দেখা দেয় অভিধানে। আমি নির্বাক বসে আছি পিসির সামনে। ধীরে ধীরে কেনো যেনো স্ক্রীনটা ঝাপসা হয়ে আসছে। চোখের কোণে জল এলে সব এমন অস্পষ্ট হয়ে আসে কেনো? শুধু বলছি, আপু, আমি তোমার এক অক্ষম ভাই।.

ঝরাপাতার শব্দ….।

প্রকৃতির কত শত অনুষঙ্গ আমদের জানা। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত..সবুজের সৌন্দর্য-সকাল বেলার নতুন সূর্যের রক্তিম আভা, গোধূলী লগ্নের নীরব সমর্পন, নিঝুম রাতে ঝিঁ-ঝিঁ পোকার একটানা ঝিঁ-ঝিঁ ইত্যাদি কত বর্ণনাই না আমরা শুনেছি। কিন্তু, বিবর্ণ হয়ে – হারিয়ে যাবার প্রহর গুনতে থাকা – হলুদ একটা পাতার, ঝরে পড়ার শব্দ কি কেউ কখনো.

একটুকরো শুভ্রতার অপেক্ষা…।

একটু একটু করে জেগে উঠছে আমাদের প্রিয় শহর ঢাকা।রাস্তা-ঘাট সবখানে শুধু ছুটে চলা মানুষের ভিড়।ইট-কাঠ,পাথরের এই শহরের আমিও একজন নাগরিক। অনেকদিন আছি এই যান্ত্রিক নগরিতে।তবুও যেন এখনো ঠিক এই শহরের কেউ হয়ে উঠতে পারিনি। জনতার ভিড়েও কেউ কেউ কত বেশী নির্জন! চারদিকে শুধু গতিশীল সময়ের পথ অতিক্রমের নিদারুণ ব্যস্ততা।নিজেকে বড়.

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম…..

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম আমরা আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু মুসলমান মিলিয়া বাউলা গান আর মুর্শিদি গাইতামহিন্দু বাড়িতে যাত্রা গান হইত নিমন্ত্রণ দিত আমরা যাইতাম জারি গান, বাউল গান আনন্দের তুফান গাইয়া সারি গান নৌকা দৌড়াইতাম বর্ষা যখন হইত, গাজির গান আইত, রংগে ঢংগে গাইত আনন্দ.

তবুও ভালোবাসি….।

আমার স্বপ্নগুলো কখনোই সাফল্যের সোনালী প্রভাতের দেখা পায়না। তবুও বন্ধুকে ভালোবাসে যাই আশ্লেষে। বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে, সুন্দর কোন বিকেলে প্রিয়তার হাতে হাত না রেখেও ওকে আমি ভালোবেসে যাব। খুব সুন্দর একটা গান। শুনে নিন সবাই। আর বন্ধুর জন্য বাঁচুন।