আগুনের দিনগুলোতে আমার ফায়ারম্যান বাবা ও আমাদের নিজস্ব গল্প

এইগুলা আগুনের জুতা বাবা! তোমার আব্বুতো আগুন নিভায়। সেইকারণে আগুনের মধ্যে দিয়ে আব্বুকে হাঁটতে হয়। এই বড় বড় জুতা পড়লে আগুন আর ধরতে পারে না। শৈশবে আমাদের বাসায় বাবার লম্বা সাইজের গামবুট দেখে মায়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম,  জুতাগুলো এতো বড়ো কেনো। মা তখন আমাকে জানিয়েছিলেন, এই জুতা পড়লে আর আগুন.

অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কিংবা মায়োপিক বিষণ্নতার ইশতেহার

অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কিংবা মায়োপিক বিষণ্নতার ইশতেহার

আমি অন্ধকার দেখতে পাই! অন্ধকারের ভিজ্যুয়াল কেমন হয়, আমার সেটা জানা! অনেকক’টা বছর আগে- প্রথম যখন আমার রুমমেটকে কথাটি বলেছিলাম, ও ধরেই নিয়েছিলো, আমার মাথাটা বোধহয় গেছে। তারপর থেকে বহুজনকে বলেছি এই অদ্ভূত ক্ষমতার কথা। খুব ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় সবাই নানাভাবে এড়িয়ে গিয়েছে। কেউ হয়তো বিশ্বাস করতে চেয়েছে। আবার কেউ.

শৈশবের শবে বরাতে গরম জিলাপির বিলাসিতা

শৈশবের শবে বরাত ও পকেটভর্তি গরম জিলাপির বিলাসিতা

শবে বরাত শব্দটির সাথে পরিচয় হয় শৈশবে। আমরা তখন চিটাগাংয়ের আবাস ছেড়ে গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জে চলে এসেছি। বাবার সরকারি চাকরীর বদলি হলো ঢাকাতে। গ্রামের পরিবেশ আমার কাছে মোটেও রোমান্টিক টাইপ মনে হয় নি। শহুরে আমি যেমন জীবনে অভ্যস্ত ছিলাম, গ্রামে জীবন তারচে অনেক আলাদা ছিলো। সবচে বেশি অবাক লাগতো, গ্রামে.

ডাযনোসর ইউসোরাস

ডায়নোসররাও কখনো কাঁদে এই মুমূর্ষু ‘নেক্রপলিসে’

আজকে আমার সামনের সিটে বসা ডায়নোসরকে কাঁদতে দেখেছি আমি। সকাল ৭:৩০ এর ভার্সিটি বাস। বিআরটিসি থেকে ভাড়ায় নিয়ে আসা আমাদের অনেকের প্রিয় লালরঙা দোতলা। মিরপুর থেকে জাবি। এই বাসে নিত্যদিন যাতায়াত আমার। সেখানে চোখেজল সহ বসে থাকা ডায়নোসর দেখে ভ্যাবচ্যাকা খাওয়াটা দোষের কিছু না নিশ্চয়ই!  অবাক কান্ড, তাই  না? ভীষণ অবাক হওয়ার.

বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখা দৃশ্যপট এবং এলিয়েন হতে থাকা একজনের গল্প

বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে দেখা দৃশ্যপট এবং এলিয়েন হতে থাকা একজনের গল্প

# দৃশ্য এক একজন বাবা তার ছেলেকে কোলে নিয়ে ফুটপাত ধরে হেঁটে যাচ্ছেন। বাচ্চার বয়স  আনুমানিক ৩ বছর হবে। রাতের ঢাকা, ফুটপাতে মানুষের ভিড়, ভাঙাচোরা ড্রেনেজের জঞ্জাল ইত্যাদি কোন কিছুই তার কাছে বিরক্তি কিংবা লক্ষ্য করার বস্তু হতে পারছে না। লোকটি তার ছেলের সাথে কী যেনো কথা বলছেন। ছেলেটি প্রাণখুলে.

একটি দলছুট শালিকের বিষণ্ন দিনরাত্রি

একটি দলছুট শালিকের বিষণ্ন দিনরাত্রি

তখন আমরা গ্রামের বাড়িতে থাকি। বৃষ্টি হচ্ছে কয়েকদিন ধরে একটানা। চারপাশে কাদামাটি মাখামাখি। আমাদের টিনের ঘরের মাটির মেঝে স্যাতস্যাতে হয়ে আছে। দুপুরের ভাত খেতে খেতে আমি দেখছিলাম উঠোনে বসে থাকা মনোযোগী একদল শালিকের দিকে। ছোট্ট ছোট্ট উড়ান দিয়ে তারা মাটি থেকে খুঁটে খাচ্ছিলো কিছু। সম্ভবত পোকা-মাকড়ই হবে। আমি মায়ের কাছে.