আইপিএ’র সাথে মোহাম্মদ রাকিবুল হাসানের ফটোগ্রাফি বিষয়ক আলাপ

মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান। কেবল ভালো ছবি তোলার লক্ষ্যে পথ চলেন না। তার কাজের মাধ্যমে তিনি সামাজিক পরিমন্ডলে খানিকটা শান্তি আনার চেষ্টায় মগ্ন থাকেন।  চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন হাসান। কিন্তু, তারপর তিনি বুঝতে পারেন, জাতির বিনির্মানে একটি স্থিরচিত্র কী দারুন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সেই থেকে আর কখনো তিনি পেছনে.

আমাদের শহরে ইতস্তত টিকে থাকা এক পেঙ্গুইন

সাইবেরিয়া কিংবা এন্টার্কটিকার বরফ সব গলে গেলে পেঙ্গুইনরা কোথায় যাবে, এমন চিন্তা ছোটবেলায় আমার মাথায় প্রায়ই আসতো। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক কিংবা ন্যাটজিও চ্যানেলে প্রাণীজগতের নানা কাহিনী দেখার সুযোগে আমি তখন পেঙ্গুইনদের সম্পর্কে খানিকটা জানতাম। তারপর বহুবছর কেটে গেছে। একদিন হঠাৎ আমাদের ইউনিভার্সিটিতে এক পেঙ্গুইনের দেখা পেয়ে আমি অবাক! গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এখন.

মোয়ার সন্দেশ হাতে রহস্যময় শাজাহান কাকু ও তার হঠাৎ হারিয়ে যাওয়ার দিন

রান্নাঘরের শেলফে মুড়ির মোয়া দিয়ে বানানো চারকোনা আকৃতির বিশাল সাইজের সন্দেশের মতো কিছু একটা দেখে সেদিন আমি চমকে উঠেছিলাম। এর আগে কখনো এতো বড় মোয়া দেখার সুযোগ হয় নি আমার। মায়ের কাছে জানতে চাইলাম। মা বললেন, এটা নাকি মোয়ার সন্দেশ। আমি তখন অবাক হয়েছিলাম এটা ভেবে যে, মোয়ার আবার সন্দেশও.

যখন মিউজিক ও ফটোগ্রাফি সাংঘর্ষিক হয়ে উঠে ; ম্যাগনাম ফটোগ্রাফার ল্যারি টওয়েলের সাক্ষাৎকার

ল্যারি টওয়েল। ১৯৫৩ সালে কানাডার অন্টারিওতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিজনেস কার্ডে লেখা ডেজিগনেশন হিসেবে তিনি একজন ‘হিউম্যান বিয়িং – ‘মানুষ’। ছোটবেলা থেকে নিজের মতো করে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এই কবি ও ফোক মিউজিশিয়ান। বাবা ছিলেন গাড়ির মেকানিক। অন্টারিওর গ্রামীন অঞ্চলের একটি একান্নবর্তী পরিবারে বেড়ে উঠেছেন ল্যারি। টরেন্টোর ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার.

কিংবদন্তিতে মহাপরাক্রমশালী সূর্য ; সৌর দেবতা থেকে উড়ন্ত রথের গল্প

শত সহস্র বছর আগে থেকেই মানুষ সূর্যকে জীবনের উৎস হিসেবে মেনে নিয়েছিলো। বিজ্ঞান যতোদিনে আবিষ্কার করে যে, সূর্যের চারপাশে সবকিছু প্রদক্ষিণ করে, তারও বহুকাল পূর্বেই আদিম মানুষেরা সূর্যকে শক্তির আধার হিসেবে গ্রহণ করেছিলো। প্রাচীন ইতিহাসে সূর্য যেমন শক্তি ও প্রাণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো, তেমনই সূর্যকে মনে করা হতো স্রষ্টা কিংবা দেবতা।.

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

জাপানি বৃদ্ধ কানশিরো যখন জোনাকী হয়ে আবার ফিরলো

অনেকদিন আগের কথা। জাপানের ওমি জেলার ফুনাকামি মুরা গ্রামে কানশিরো নামের একজন কৃষক বাস করতেন। তিনি তার এলাকাতে সততা, দানশীলতা ও ধর্মভীরুতার জন্য সবার মাঝে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় নান কিংবা পাদ্রীদের মধ্যেও তার মতো উত্তম চরিত্রের কেউ ছিলো না। কানশিরো ছিলেন বৃদ্ধ এবং অসুস্থ। তারপরও তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবছর.